ডিজিটাল যুগের বিক্ষিপ্ততা নিয়ন্ত্রণে যোগদর্শন: একটি বিশ্লেষণাত্মক অধ্যয়ন
Fuente:
Zenodo
Enregistré dans:
| Auteur principal: | |
|---|---|
| Format: | Recurso digital |
| Langue: | bengali |
| Publié: |
Zenodo
2026
|
| Sujets: | |
| Accès en ligne: | |
| Tags: |
Ajouter un tag
Pas de tags, Soyez le premier à ajouter un tag!
|
| _version_ | 1866901922992095232 |
|---|---|
| author | Sangita Roy |
| author_facet | Sangita Roy |
| contents | <p><span>একবিংশ শতাব্দীর প্রগতিশীল সমাজে প্রযুক্তির ওপর একান্ত নির্ভরতা শারীরিক ও মানসিক ভাবে মানুষকে পঙ্গু করতে দিচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের সমৃদ্ধশীল করলেও সৃজনীশক্তিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। মানুষ অন্য প্রাণীর থেকে উন্নত কারণ সে চিন্তা করতে পারে। কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নব নব সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তির ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা এক অন্য মানুষে পরিণত করছে আমাদের। প্রযুক্তি সমস্ত সমস্যার সমাধান নিয়ে এমন ভাবে হাজির হয় আমাদের সামনে যে আমরা সমস্যার গভীরে যাওয়ার প্রয়োজনই বোধ করি না। আর অনতিবিলম্বে হাজির হওয়া মুশকিল আসান প্রযুক্তি নিজের থেকেই দূরে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের। আমরা হয়ে উঠছি পরনির্ভর। শুধু তাই নয় সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন অ্যাপ আমাদের প্রয়োজনীয় সময় নষ্ট করে দিচ্ছে। অবসর সময় কাটানোর পরিবর্তে দিনের বেশির ভাগ সময় অর্থহীন ভাবে স্ক্রলিং, চ্যাটিং এ নষ্ট হচ্ছে। গঠনমূলক চিন্তাভাবনা এবং সৃজনশীল উৎপাদনের ব্যাপক ক্ষয় সাধন হচ্ছে। বর্তমানে ভারতে স্ক্রিন টাইম দৈনিক গড়ে ৭.৪ ঘন্টা।এর মধ্যে গড়ে ২. ৫ ঘন্টা ব্যয় হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস, শর্ট ভিডিও তে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে ৪৬ শতাংশ মানুষ স্ক্রিন সংক্রান্ত ঘুমের সমস্যায় আক্রান্ত। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের ফিরে তাকাতে হয় প্রাচীন সমাজ জীবনের দিকে।মহর্ষি পতঞ্জলি প্রনীত যোগদর্শন অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা মানসিক শৃঙ্খলা আত্মঅনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল সমস্যার গোড়ায় পৌঁছে প্রযুক্তির দাসত্ব থেকে মুক্ত করে।</span></p> |
| format | Recurso digital |
| id | zenodo_https___doi_org_10_5281_zenodo_19510670 |
| institution | Zenodo |
| language | ben |
| publishDate | 2026 |
| publisher | Zenodo |
| record_format | zenodo |
| spellingShingle | ডিজিটাল যুগের বিক্ষিপ্ততা নিয়ন্ত্রণে যোগদর্শন: একটি বিশ্লেষণাত্মক অধ্যয়ন Sangita Roy চিও, চিত্তবৃত্তি, ডিজিটাল লুপ, FOMO, অষ্টাঙ্গ যোগ <p><span>একবিংশ শতাব্দীর প্রগতিশীল সমাজে প্রযুক্তির ওপর একান্ত নির্ভরতা শারীরিক ও মানসিক ভাবে মানুষকে পঙ্গু করতে দিচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন আমাদের সমৃদ্ধশীল করলেও সৃজনীশক্তিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। মানুষ অন্য প্রাণীর থেকে উন্নত কারণ সে চিন্তা করতে পারে। কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে নব নব সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু প্রযুক্তির ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা এক অন্য মানুষে পরিণত করছে আমাদের। প্রযুক্তি সমস্ত সমস্যার সমাধান নিয়ে এমন ভাবে হাজির হয় আমাদের সামনে যে আমরা সমস্যার গভীরে যাওয়ার প্রয়োজনই বোধ করি না। আর অনতিবিলম্বে হাজির হওয়া মুশকিল আসান প্রযুক্তি নিজের থেকেই দূরে নিয়ে যাচ্ছে আমাদের। আমরা হয়ে উঠছি পরনির্ভর। শুধু তাই নয় সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন অ্যাপ আমাদের প্রয়োজনীয় সময় নষ্ট করে দিচ্ছে। অবসর সময় কাটানোর পরিবর্তে দিনের বেশির ভাগ সময় অর্থহীন ভাবে স্ক্রলিং, চ্যাটিং এ নষ্ট হচ্ছে। গঠনমূলক চিন্তাভাবনা এবং সৃজনশীল উৎপাদনের ব্যাপক ক্ষয় সাধন হচ্ছে। বর্তমানে ভারতে স্ক্রিন টাইম দৈনিক গড়ে ৭.৪ ঘন্টা।এর মধ্যে গড়ে ২. ৫ ঘন্টা ব্যয় হয় সোশ্যাল মিডিয়ায় রিলস, শর্ট ভিডিও তে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে ৪৬ শতাংশ মানুষ স্ক্রিন সংক্রান্ত ঘুমের সমস্যায় আক্রান্ত। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের ফিরে তাকাতে হয় প্রাচীন সমাজ জীবনের দিকে।মহর্ষি পতঞ্জলি প্রনীত যোগদর্শন অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা মানসিক শৃঙ্খলা আত্মঅনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল সমস্যার গোড়ায় পৌঁছে প্রযুক্তির দাসত্ব থেকে মুক্ত করে।</span></p> |
| title | ডিজিটাল যুগের বিক্ষিপ্ততা নিয়ন্ত্রণে যোগদর্শন: একটি বিশ্লেষণাত্মক অধ্যয়ন |
| topic | চিও, চিত্তবৃত্তি, ডিজিটাল লুপ, FOMO, অষ্টাঙ্গ যোগ |
| url | https://doi.org/10.5281/zenodo.19510670 |